একদিকে বাজারের গতি বুঝতে সাইডলাইনে চলে এসেছেন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। অন্যদিকে ব্যক্তি শ্রেণির বড় বিনিয়োগকারীদের নিষ্ক্রিয়তা। সাথে আছে বরাবরের মতো আস্থা সঙ্কট। সব মিলিয়ে বড় বিনিয়োগ খরায় পড়েছে দেশের পুঁজিবাজার।সরকারি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবি তিন হাজার কোটি টাকা অর্থ ছাড় পেলেও প্রতিষ্ঠানটির মাথায় আছে বড় ঋণের বোঝা। ফলে এই খরা কাটাতে আস্থা ফিরিয়ে আনার বিকল্প নেই, এমনটাই বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
শুধুমাত্র প্রাইস আর্নিং রেশিও বিবেচনা করলে বিনিয়োগের উপযুক্ত সময় চলছে শেয়ারবাজারে। গত সপ্তাহে ডিএসইর পিই রেশিও ২.০৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯.৬৩ পয়েন্ট। পিই রেশিও কমার অর্থ হচ্ছে দামের তুলনায় আয় বা রিটার্ন পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ বাজার ক্রমেই বিনিয়োগবান্ধব হয়ে উঠছে।অথচ এমন সময়েও চলছে বিনিয়োগ খরা। চলতি সপ্তাহের গেল চার কার্যদিবসের গড় লেনদেন মাত্র ৩৪৭ কোটি টাকা। সূচকও ঘুরপাক খাচ্ছে একই জায়গায়। এ অবস্থার জন্য আস্থাহীতাকেই দায়ী করছেন পুঁজিবাজার সম্মিলিত পরিষদের সভাপতি আতাউল্লাহ নাইম।
বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, টাস্কফোর্সের সুপারিশের অপেক্ষায় সময় নষ্ট না করে আস্থা ফেরাতে প্রয়োজনিয় কিছু উদ্যোগ দ্রুত নেয়া প্রয়োজন।এদিকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য আইসিবিকে তিন হাজার কোটি টাকা অর্থ ছাড় দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এমন খবরে বাজার যখন ইতিবাচক, তখন সংস্থাটির প্রধান কর্তা আবু আহমেদ বলছেন আইসিবির মাথায় আছে বড় অঙ্কের ঋণের বোঝা। বিনিয়োগের এমন খরা কাটাতে মার্জিন ঋণের আইন সংস্কার ও আইসিবিকে শক্তিশালী করাসহ একাধিক উদ্যোগের কথা বলছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
শুধুমাত্র প্রাইস আর্নিং রেশিও বিবেচনা করলে বিনিয়োগের উপযুক্ত সময় চলছে শেয়ারবাজারে। গত সপ্তাহে ডিএসইর পিই রেশিও ২.০৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯.৬৩ পয়েন্ট। পিই রেশিও কমার অর্থ হচ্ছে দামের তুলনায় আয় বা রিটার্ন পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ বাজার ক্রমেই বিনিয়োগবান্ধব হয়ে উঠছে।অথচ এমন সময়েও চলছে বিনিয়োগ খরা। চলতি সপ্তাহের গেল চার কার্যদিবসের গড় লেনদেন মাত্র ৩৪৭ কোটি টাকা। সূচকও ঘুরপাক খাচ্ছে একই জায়গায়। এ অবস্থার জন্য আস্থাহীতাকেই দায়ী করছেন পুঁজিবাজার সম্মিলিত পরিষদের সভাপতি আতাউল্লাহ নাইম।
বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, টাস্কফোর্সের সুপারিশের অপেক্ষায় সময় নষ্ট না করে আস্থা ফেরাতে প্রয়োজনিয় কিছু উদ্যোগ দ্রুত নেয়া প্রয়োজন।এদিকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য আইসিবিকে তিন হাজার কোটি টাকা অর্থ ছাড় দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এমন খবরে বাজার যখন ইতিবাচক, তখন সংস্থাটির প্রধান কর্তা আবু আহমেদ বলছেন আইসিবির মাথায় আছে বড় অঙ্কের ঋণের বোঝা। বিনিয়োগের এমন খরা কাটাতে মার্জিন ঋণের আইন সংস্কার ও আইসিবিকে শক্তিশালী করাসহ একাধিক উদ্যোগের কথা বলছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।